Wednesday February 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৪ এ ০৭:৫৩ PM

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

কন্টেন্ট: পাতা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ

২০২৭ সালের মধ্যে খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতা ৬০০০ মেঃ টন হতে ৭০০০ মেঃ টনে উন্নীতকরণ। অব্যাহত প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ। প্রকৃত কৃষকদের ডাটাবেজ তৈরি করে তাদের কাছ থেকে ধান ও গম ক্রয় করা। ধান ও গম ক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের বিনির্দেশ সম্মত ধান/গম তৈরিতে সহায়তা করা। হাস্কিং মিলগুলোকে যুগোপযোগী ও আধুনিকায়নকরণ। ভাল চাল উৎপাদনকারী হাস্কিং/অটো মিলারদের Incentive প্রদান।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীতে পুষ্টি ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন অন্তর্ভূক্ত করে নিম্ন আয়ের জনগণের জন্য নিয়মিত কর্মসূচীতে স্বল্পমূল্যে খাদ্যশস্য বিতরণ ও সময়োপযোগীকরণ এবং পুষ্টি চাল বিতরণের মাধ্যমে অপুষ্টি দূর করে পুষ্টি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তোলা।

এ-ছা-ড়া-ও

১। খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুত এবং কৃষকদের প্রণোদনা মূল্য প্রদান;

২। দরিদ্র জনসাধারণের জন্য (বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের) খাদ্যের প্রাপ্যতা সহজলভ্যকরণ;

৩। পর্যাপ্ত খাদ্য প্রাপ্তি ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়ন;

৪। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ;

৫। খাদ্যশস্যের (চাল ও গম) মূল্য স্থিতিশীল রাখা;

৬। পুষ্টি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তোলা;

৭। দক্ষতার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন;

৮। দক্ষতা ও নৈতিকতার উন্নয়ন;

৯। তথ্য অধিকার ও স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ;

১০। কার্যপদ্ধতি ও সেবার মানোন্নয়ন;

১১। কর্ম পরিবেশ উন্নয়ন;

১২। আর্থিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং

১৩। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন